1. multicare.net@gmail.com : সময়ের পথ :
মঙ্গলবার, ২৮ মে ২০২৪, ০৪:৩৩ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ :
বড়পুকুরিয়ায় ঘরবাড়ী ফাটলের ক্ষতিপূরণের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন। আইবিএন শেয়ার হোল্ডারস মিটআপ রেদোয়ান আহমেদ। বিজয়ী প্রার্থীকে ফুলের মালা পরিয়ে ভাইরাল দৌলতপুরের ওসি রফিকুল নওগাঁর বলিহারে বিট ও কমিউনিটি পুলিশিং সমাবেশ অনুষ্ঠিত খন্ডবিখন্ড,মরদেহ উদ্ধার এমপি আনারের,উঠে এলো চাঞ্চল্যকর তথ্য। খাজা শাহ্ নূর দরবেশ মৌলা (রহঃ) এঁর চন্দ্রবার্ষিকী ওফাত শরীফ উপলক্ষে ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প বুদ্ধ পূর্ণিমা উপলক্ষে শান্তির মঙ্গল শোভাযাত্রায় হাজারো মানুষের ঢল লামার উপজেলা নির্বাচনে বিজয়ী আবারও চেয়ারম্যান মোস্তফা জামাল নতুন ভাইস চেয়ারম্যান নির্বাচিত হলেন দুইজন নওগাঁয় ফেসবুকে পোষ্ট দিয়ে যুবকের আত্নহত্যা কুষ্টিয়া জেলা আ’লীগের সভাপতিকে কারণ দর্শানোর নোটিশ

শাহিনের মৃত্যুর বিচার চায় তার পরিবার ও হালিম মামা।

প্রতিবেদকের নাম:
  • প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৮ ফেব্রুয়ারী, ২০২৪
  • ৫৮ বার পড়া হয়েছে

 

সময়ের পথ ক্রাইম রিপোর্টারের প্রতিবেদন

এলোমেলো পথে চলে গিয়েছিল শাহীন। এটা দেখে পরিবার কোনক্রমেই মেনে নিতে পারছিলো না। অবশেষে তাকে দিতে হলো মাদকাসক্ত নিরাময় কেন্দ্রে। মাদকাসক্ত নিরাময় কেন্দ্রটির নাম- “সময় মাদকাসক্তি নিরাময় কেন্দ্র।”এটি ময়মনসিংহ শহরের মাসকান্দা অঞ্চলের ময়নার মোড়ে অবস্থিত। অসহায় হত দরিদ্র পরিবার জানতো না এই নিরাময় কেন্দ্রটির লাইসেন্স নেই বা এখানে তাদের শাহিনের প্রাণ হারাতে হবে অমানবিক নির্যাতনের তোপে। পরিবার কোনক্রমেই বুঝতে পারেনি এখানে সেবার নামে টর্চার সেলে পরিণত করে মোটা অংক আদায় করে অথবা আদায় করতে না পারলে নির্যাতনের শিকার করে প্রান নাশের চেষ্টা করে। কোনক্রমেই পরিবার তাদের এই ছলচাতুড়ি বুঝতেই পারেনি। পূর্বেও এই নিরাময় কেন্দ্রের অনেক অভিযোগ ছিল, তা শাহিনের পরিবারের জানাই ছিল না। কিন্তু বিষয়টি আরেকটু ব্যতিক্রমে পরিণত হলো, পরিবার কোনক্রমেই বুঝতে পারিনি শুধুই কি মোটা অংক তা নয় পূর্ব শত্রুতার জের ও থাকতে পারে বলে এখন ধীরে ধীরে বোঝা যাচ্ছে। কোনক্রমেই শাহিনের পরিবার বুঝতে পারিনি পূর্ব শত্রুতার জের ধরে নিরাময় কেন্দ্রের চেয়ারম্যান ও ম্যানেজার জড়িত থাকতে পারে। এই আলোচনা গুলোই ইদানিং উন্মোচিত হচ্ছে এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের কাছ থেকে।অসহায় পরিবার বুঝতেই পারিনি এখানে মোটা অংক অথবা দিতে হবে প্রাণ। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কতক ব্যক্তিবর্গ বলেন এই ক্লিনিকে হয় মোটা অংক নচেৎ প্রাণ দিতেই হচ্ছে অহরহ। শাহিনের মৃত্যুর পর এমন ঘটনা শুনে শাহিনের পরিবার শোকাহত মর্মাহত এবং অসহায়ত্বের শেষ সীমানায় পৌঁছে গিয়েছে। কি ঘটেছিলো সেই দিনটি তে। শাহিনের মামার ভাষ্যমতে শাহীন সেদিন বায়না ধরেছিল মায়ের সাথে দেখা করবে ওয়েটিং রুমে যদি মা আসে তবে। কিন্তু বিধিবাম মা স্ত্রী ঠিকই সেই দিন টিফিন ক্যারিয়ার করে খাবার নিয়ে। কিন্তু তাদের আর দেখা করতে দেয়া হলো না শুধুই টিফিন ক্যারিয়ার দিয়ে খাবার দিয়ে চলে গেল সেই খাবার দেখে শাহিন ঠিকই চিনতে পেরেছিল স্ত্রীর হাতের রান্না,মায়ের হাতের রান্না, দুজনে মজা করে রান্না করে তার জন্য। নিয়ে এসেছিল মা ও স্ত্রী। বলেছিলো মা অথবা স্ত্রী যদি আসে তবে আমার সঙ্গে যেন দেখা করে। কিন্তু না দেখা না করেই চলে গেল দুজনেই। এতে শাহিন কিছুটা উত্তেজিত হয়ে গেল। এক পর্যায়ে শাহীনকে বেশ মারধর করে, যা কখনো গ্রহনযোগ্য না। এক পর্যায়ে শাহিন কে বেঁধে ও ঝুলিয়ে মারধর করে। এক পর্যায়ে শাহীন রক্তাক্ত সেন্সলেস হয়ে যায়, শেষ পর্যন্ত তাকে দ্রুত ময়মনসিংহ মেডিকেলে নিয়ে যাওয়া হয়, ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ কর্তৃপক্ষ শাহীনকে মৃত বলিয়া ঘোষণা করে। মৃত ঘোষণা করার আগেই সময় মাদকাসক্ত নিরাময় কেন্দ্রের চেয়ারম্যান আশিকুর রহমান আশিক ও ম্যানেজার ঘটনাস্থল থেকেই পালিয়ে যায়।এরপর ঘটনার পর ঘটনা ঘটতেই থাকে এলাকাবাসি এক পর্যায়ে ময়মনসিংহ প্রেসক্লাবের নীচে প্রায় দুইশত লোক নিয়ে মানববন্ধন করে। করে নানাবিধ পত্রিকায় লেখালিখি,করে সাধারণ ডায়েরি, করে মামলা, তবুও যেন শাহিন হত্যার কোন সুরাহা পাওয়া গেল না। এই প্রতারক আশিক ও তার ম্যানেজার বিভিন্ন দিক থেকে হুমকি দিতে থাকে এবং এক প্রকার নৈরাজ্য তৈরি করে বিভিন্ন জায়গায় মোটা অংক দিয়ে হত্যার বিষয়টি একদম স্থবির করে রাখে বলে শাহিনের মামা হালিমের অভিযোগ। গুমড়ে গুমড়ে কেদে শাহিনের মামা হালিম সময়ের পথের ক্রাইম রিপোর্টারকে জানায় আমাদের পাশে কেউ নেই সৃষ্টিকর্তা ছাড়া। আপনারা যদি পাশে না থাকতেন তবে এইটুকুও আমরা আগাইতে পারতাম না। আজীবন অসহায়ত্বের শিকারেই থেকে যেতাম।আমরা কবে বিচার পাবো এই দাবি এলাকাবাসীর কাছে, সাংবাদিক ভাইদের কাছে, প্রশাসনের কাছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন

আরো লেখাসমূহ

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায় : ইয়োলো হোস্ট